1. news.dailynobobarta@gmail.com : ডেইলি নববার্তা : ডেইলি নববার্তা
  2. subrata6630@gmail.com : Subrata Deb Nath : Subrata Deb Nath
মঙ্গলবার, ০৫ জুলাই ২০২২, ০৮:৩২ পূর্বাহ্ন
মঙ্গলবার, ০৫ জুলাই ২০২২, ০৮:৩২ পূর্বাহ্ন

শ্রীনগরে কৃষি শ্রমিক সংকট, পাকা ধান নিয়ে বিপাকে কৃষক

মোহন মোড়ল, শ্রীনগর (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ১০ মে, ২০২২
  • ৮৫ বার পঠিত
শ্রীনগরে কৃষি শ্রমিক সংকট

Tags: , ,

শ্রীনগরে দুশ্চিন্তা মাথায় নিয়ে জলাবদ্ধ জমিতে নুয়ে পড়া পাকা ধান কাটা শুরু করেছেন এখানকার কৃষক। এর মধ্যে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় আসানি’র আভাস ও কৃষি শ্রমিকের সংকটের কারণে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন এ অঞ্চলের ক্ষতিগ্রস্ত ধান চাষিরা।

বর্তমানে ১৩শ’ থেকে ১৪শ’ টাকা রোজেও প্রয়োজলীয় শ্রমিক মিলছেনা। এর আগে বৈশাখী ঝড়বৃষ্টি ও আগাম জোয়ারের পানিতে বিভিন্ন জমিতে ধান ডুবে যায়। ধানের ভরা মৌসুমে কৃষি শ্রমিক সংকট, জমিতে ডুবে যাওয়া ধানসহ ঘূর্ণিঝড় অশনি আশঙ্কায় কৃষকের দুশ্চিন্তার মাত্র আরো বেড়ে যায়। সার্বিক পরিস্থিতির কারণে অতিরিক্ত খরচে ক্ষেতের পাকা ধান কাটা ও মাড়াই করা নিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন। ঈদের ছুটি কাটিয়ে এরই মধ্যে আড়িয়াল বিলের শ্রীনগর অংশে পুরোদমে শুরু হয়েছে আগাম ধান কাটা। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে আড়িয়াল বিলের সব ধান কাটা সম্পন্ন হবে জানান বিল পাড়ের ধান চাষিরা।

এছাড়াও উপজেলার অন্যান্য চকেও কিছু কিছু জমিতে আগাম পাকা ধান কাটা হচ্ছে। উপজেলায় এ বছর বোরো মৌসুমে ৯ হাজার হাজার হেক্টরের অধিক জমিতে বিভিন্ন জাতের ধান চাষ করা হয়েছে। এর মধ্যে বিখ্যাত আড়িয়াল বিলের শ্রীনগর অংশেই ৫ হাজার হেক্টর জমিতে ধান চাষ করা হয়েছে।

খোঁজ খবর নিয়ে জানা যায়, গত সোমবার পর্যন্ত আড়িয়াল বিলে ধান কাটতে দৈনিক একজন শ্রমিককে ৩ বেলা খাবার দিয়ে কৃষকের গুনতে হচ্ছে ১৩শ’ থেকে ১৪শ’ টাকা। তারপরেও চাহিদা অনুযায়ী কৃষি শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছে না। কৃষকের মাড়াই করা প্রতিমণ ভিজা ধান এলাকায় কেনাবেচা হচ্ছে সাড়ে ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা করে। আশানুরূপ ধানের ফলন ও দাম না পেলেও শ্রমিক মজুরীর অর্থের যোগান দিতে বাধ্য হয়েই কমদামে ভিজা ধান বিক্রি করছেন নি¤œ আয়ের কৃষকরা। উপজেলার আলমপুর, শ্রীধরপুর, বাড়ৈখালী, মদনখালী, গাদিঘাট, ষোলঘর এলাকায় এসব ধান ক্রয় করতে দেখা গেছে বেপারীদের। এ অঞ্চলে সিংহভাগ জমিতেই হাইব্রিড ২৮ ও ২৯ জাতের ধান চাষ করা হয়েছে।

শ্রীনগর উপজেলা কৃষি অফিসার শান্তনা রানী জানান, বৃষ্টি ও আগাম জোয়ারের পানি জমিতে উঠে যাওয়ায় অনেক জমিতে ধান পড়ে গেছে। ঈদের ছুটির কারণে কৃষি শ্রমিকদের আসতে কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে। এরই মধ্যে বিভিন্ন জেলা থেকে কয়েক হাজার শ্রমিক আসছেন। ঝড় বৃষ্টির আশঙ্কা থাকায় পাকা ধান দ্রæত কাটার জন্য কৃষকদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। তা না হলে ক্ষতির পরিমাণ বাড়বে।

এ জাতীয় আরও খবর




All rights reserved.  © 2022 Dailynobobarta
Theme Customized By Shakil IT Park