ভোজ্যতেলের বাজার নিয়ন্ত্রণে চার সিদ্ধান্ত

Oil ভোজ্যতেল

হট্টগোল আর পাল্টাপাল্টি অভিযোগের মধ্যেই শেষ হলো ভোজ্যতেল ব্যবসায়ীদের সঙ্গে ভোক্তা অধিদফতরের সভা। সভাশেষে মহাপরিচালক এ. এইচ. এম. সফিকুজ্জামান বলেন, কোনো কারসাজি হচ্ছে কি না, তা দেখতে বৃহস্পতিবার (১০ মার্চ) থেকেই মিলগেটে বসবে অধিদফতর। যদিও তেলের সরবরাহ সংকটের জন্য ডিলাররা মিলগুলোর দিকে আঙুল তুললেও অভিযোগ উড়িয়ে দিলেন মালিকরা।

তেলের সকল সরবরাহ আদেশে (এসও) মূল‍্য লেখা থাকাসহ ভোজ্যতেলের বাজার নিয়ন্ত্রণে চার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর। বুধবার (৯ মার্চ) জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের মহাপরিচালক এ. এইচ. এম. সফিকুজ্জামানের সভাপতিত্বে মিল মালিকদের সঙ্গে বৈঠকের পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সভায় নেওয়া সিদ্ধান্তের মধ্যে রয়েছে, সকল সরবরাহ আদেশে (এসও) প্রাইস লেখা থাকতে হবে, এখন পর্যন্ত যতো এসও আছে আগামী ২৪ মার্চের মধ্যে ক্লিয়ার করতে হবে, তেল কোথাও পাচার হচ্ছে কিনা তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে খতিয়ে দেখা এবং তেল সরবরাহে ব্যবহৃত ট্রাকগুলো থেকে চাঁদা আদায় করা হচ্ছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা।

এছাড়া মিল গেটে সরেজমিনে গিয়ে সাপ্লাই, ডেলিভারি, আমদানি ইত্যাদি বিষয়ে পাঠানো তথ্য যাচাই করবে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের টিমের সঙ্গে অন্যান্য সংস্থার যৌথ টিম।

সভায় ভোক্তা অধিদফতরের পরিচালক (অর্থ ও প্রশাসন) মনজুর মোহাম্মদ শাহ্‌রিয়ার, ট‍্যারিফ কমিশনের বাজার মনিটরিটরিং সেলের মাহমুদুল হাসান, বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি হেলাল উদ্দিন আহমেদ, মৌলভীবাজার ব্যবসায়ী সমিতির নেতৃবৃন্দ, তেল ব্যবসায়ী, মিল মালিকের প্রতিনিধি এবং ডিলাররা উপস্থিত ছিলেন।