1. news.dailynobobarta@gmail.com : ডেইলি নববার্তা : ডেইলি নববার্তা
  2. subrata6630@gmail.com : Subrata Deb Nath : Subrata Deb Nath
শনিবার, ০২ জুলাই ২০২২, ১০:৫৮ পূর্বাহ্ন
শনিবার, ০২ জুলাই ২০২২, ১০:৫৮ পূর্বাহ্ন

ফুলবাড়ীতে ২ টাকা কেজি দরেও ক্রেতা মিলছে না শসার

অমর চাঁদ গুপ্ত অপু, ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ১৩ মে, ২০২২
  • ২৫ বার পঠিত
ফুলবাড়ীতে ২ টাকা কেজি দরেও ক্রেতা মিলছে না শসার

Tags: , ,

দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে চলতি মৌসুমে শসার ফলন ভালো হলেও হঠাৎ দাম কমাতে হতাশ হয়ে পড়েছেন কৃষকেরা। যেই শসা কিছু দিন আগেও পাইকাররা ক্ষেত থেকে ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে কিনেছেন, এখন তারা ২ টাকা কেজি দরেও কিনতে রাজি হচ্ছেন না। ব্যবসায়ীদের দাবি, চাহিদার তুলনায় উৎপাদন বেশি হওয়ায় ও মোকামে দাম না থাকায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

ফুলবাড়ী উপজেলার পৌর এলাকাসহ সাতটি ইউনিয়নেরই বিভিন্ন এলাকায় প্রচুর শসার আবাদ হয়। স্থানীয় চাহিদা পূরণ করে অন্য জেলায় সরবরাহ করা হয় এখানকার শসা। বিগত কয়েক বছর ধরে স্থানীয় পাইকাররা কৃষকের ক্ষেত থেকে শসা কিনে বিভিন্ন জেলায় পাঠান। কিন্তু এ বছর ন্যায্য দাম না পেয়ে লোকসানের আশঙ্কা করছেন কৃষকেরা।

গতকাল শুক্রবার সকালে ফুলবাড়ী পৌর বাজারের পাইকারী সবজি বাজার ঘুরে দেখা যায়, উপজেলার বিভিন্ন এলাকার উৎপাদিক শসা নিয়ে বাজারে বসে আছেন ক্রেতার জন্য। যে পরিমাণ শসা আমদানি হয়েছে, তার তুলনায় পাইকার ক্রেতা নেই বললেই চলে।

উপজেলার শিবনগর ইউনিয়নের কোয়ারপুর গ্রামের শসা চাষি রাম চন্দ্র রায় বলেন, এ বছর তিনি এক একর জমিতে শসার আবাদ করেছেন। খরচ হয়েছে দেড় লাখ টাকা। এখন যে দাম, তাতে শ্রমিকদের মজুরি খরচই উঠছে না। এতে করে আর্থিকভাবে লোকসানে পড়ে ঋণদেনায় পড়তে হবে।

পাঠকপাড়া গ্রামে শসা চাষি সাইফুল ইসলাম বলেন, স্থানীয় শসা ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেটই শসার দাম কমে যাওয়ার মূল কারণ। তাদের কারণেই বাইরের ব্যবসায়ীরা এখানে আসতে পারছেন না।

পলীপাড়া গ্রামের শসা চাষি আব্দুল কাদের বলেন, ৫০ কেজি ওজনের একেকটি শসার বস্তার দাম ১০০ টাকাও মিলছে না। শসার ফলন ভালো হয়েছে ঠিকই। কিন্তু ছয় বস্তা বিক্রি করেও এক কেজি খাসির মাংস কেনার জোগান হচ্ছে না। শসা আবাদ করে এবার আর্থিক লোকাসানে পড়তে হয়েছে।

পাইকারী সবজি বিক্রেতা দীপক কুমার বলেন, বাইর থেকে পাইকাররা না আসায় শসার দাম পড়ে গেছে। পাইকাররা আসলেই দাম একটু বাড়তির দিকে থাকতো।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ রুম্মান আক্তার বলেন, উপজেলা কৃষি বিভাগে এককভাবে শসা চাষের তথ্য থাকে না। শাকসবজির মধ্যেই শসার হিসাব থাকে। উপজেলায় এ বছর শাকসবজি আবাদ হয়েছে তিন হাজার ১১ হেক্টর জমিতে। তবে উপজেলায় এ বছর শসার আবাদ ও উৎপাদন দুটোই আশানুরুপ হওয়ায় এবং বাজারে এক সঙ্গে শসা ওঠার কারণে দাম কমে গেছে। বাইরের পাইকাররা আসলেই দাম স্বাভাবিক হয়ে যাবে।

এ জাতীয় আরও খবর




All rights reserved.  © 2022 Dailynobobarta
Theme Customized By Shakil IT Park
Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com