শুক্রবার, আগস্ট ১২, ২০২২
Homeরাজশাহী বি.নওগাঁপত্নীতলায় নিজ বন্দুকের গুলিতে ইয়াকুবের আত্মহত্যা

পত্নীতলায় নিজ বন্দুকের গুলিতে ইয়াকুবের আত্মহত্যা

নওগাঁর পত্নীতলায় নিজের বন্দুকের গুলিতে ইয়াকুব আলী (৫০) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। বুধবার সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ উপজেলার আকবরপুর ইউনিয়নের চেরাডাঙ্গা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ইয়াকুব আলী চেহারা ডাঙ্গা গ্রামের মৃত আব্দুল হামিদ এর ছেলে।

পত্নীতলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামসুল আলম শাহ নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বিত্তশালী হওয়ায় নিরাপত্তা জনিত কারনে নিজের
লাইসেন্সকৃত একটি বন্দুক ছিল তার। সবার অজান্তেই দুই তলা বাড়ির ছাদে নিজের মাথায় ওই বন্দুক দিয়ে গুলি চালান ইয়াকুব। ওসি আলম আরো বলেন, ওই সময় তার স্ত্রী মর্জিনা উপরে গুলির শব্দ শুনতে পেয়ে এগিয়ে যান। ততক্ষণে ইয়াকুবের মৃত্যু হয়। তার চেঁচামেচিতে প্রতিবেশি মোজাহার সহ অন্যান্যরাএগিয়ে আসে।

এর থানা পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করেছে। সেই সাথে জব্দ করা হয়েছে এক নলা একটি বন্দুক। বন্দুক থেকে একটি গুলি চলার তথ্য পেয়েছি। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নওগাঁ ২৫০শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে একটি অপমৃত্যুর মামলা করা হতে পারে বলেও জানান ওসি। তবে ঠিক কারনে ইয়াকুব আতœহত্যা করলো এসব বিষয়ে আমরা তদন্ত করবো। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের পর মৃত্যুর সঠিক কারন জানা যাবে।

আকবরপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ওবাইদুল হক চৌধুরি বলেন, শুনেছিলাম তাদের পারিবারিক কলহ চলছিলো তবে আমার তেমন কিছু জানানেই ,আকবপুর ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ড মেম্বার আতিকুর রহমান বলেন, ইয়াকুব আলীরা পাঁচ ভাই বোন। ভাইদের মধ্যে ইয়াকুবই সবার ছোট ছিলো।তার অন্যান্য ভাইরেয়া চাকরি ও নিজ কর্ম নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় থাকে।ইয়াকুবই বাসায় থাকতো। কৃষি জমি দেখাশুনা ইত্যাদি করতো। পারিবারিক দন্দের প্রশ্নে, আতিকুর বলেন হ্যাঁ তাদেও পারিবারকি দন্দ
আছে এটা আমিও শুনেছি। কিন্তু বিস্তারিত জানা নেই।

এ বিষয়ে থানায় খোঁজ খবর নিয়ে জানা গেছে মৃত ইয়াকুবের বড়ভাই রমজান ও চাচাতো ভাই সাইফুল ইসলাম পত্নীতলা থানায় একটি অপমৃত্যু সংক্রান্ত সংবাদ প্রসঙ্গে একটি পত্র দিয়েছেন। থানায় জমা দেওয়া ওই কাগজ সূত্রে জানাগেছে ইয়াকুব আলী তার নিজ নামীয় লাইসেন্সকৃত একনলা বন্দুক যার নং-৭৩০৩, লাইসেন্স নং -১৭২৮ সহ নিজ বাড়ির ছাদে উঠিয়া সিড়িঁর দরজা আটকাইয়া তাহার লাইসেন্সকৃত একনলা বন্দুক দিয়ে নিজে নিজে থুতনির নিচে ঠেকাইয়া ফায়ার করে আত্নহত্যা করে। তারা ধারনা করছেন যে পারিবারিক ও আর্থিক সমস্যার কারনে ইয়াকুব আলী আত্নহত্যা করেছেন।

এ বিষয়ে তার বার বা তার ভাইয়ের পরিবারের কারো কোন অভিযোগ বা সন্দেহ নাই। এদিকে নওগাঁ সদর হাসপাতাল থেকে জানা গেছে, লাশের ময়নাতদন্ত শেষে বিকেল সাড়ে ৫টায় পুলিশের মাধ্যমে পরিবারের কাজে লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে।

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -

Most Popular