চুলের যত্নে মিষ্টি কুমড়া

Pumpkin Hair Treatment

পুরুষ বা নারী, চুল নিয়ে সবাই কমবেশি চিন্তিত। চুল রুক্ষ ও শুষ্ক হয়ে যাওয়া, চুল ঝরে পড়া বা চুলের আগা ফাটা ইত্যাদি নানান সমস্যায় জেরবার অনেকে। তবে চুলের যত্নে ঘরোয়া কিছু পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারেন।

স্বাস্থ্য ও জীবনধারাবিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাইয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চুলের নানান সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে মিষ্টি কুমড়ার হেয়ার মাস্ক বা কুমড়া বীজের তেল ব্যবহার করতে পারেন। চুলের বৃদ্ধি, চুল ফাটা, চুল পড়া কমানোর জন্য কুমড়ো খুবই উপকারী। তাহলে আসুন জেনে নেওয়া যাক, চুলের যত্নে কীভাবে মিষ্টি কুমড়া ব্যবহার করবেন।

কন্ডিশনার
কন্ডিশনিংয়ের জন্য কুমড়ার সঙ্গে ওটস মিশিয়ে চুলে লাগাতে পারেন। এতে চুলের পুষ্টি বাড়বে। চুল ফাটার সমস্যা কম হবে। এ ছাড়া এক টেবিল চামচ মিষ্টি কুমড়াবীজের তেলের মধ্যে আধখানা আপেল সেদ্ধ করে চটকে নিন। এর মধ্যে এক টেবিল চামচ শিয়া বাটার ও একটা ডিম দিন। শ্যাম্পু করার পর এই কন্ডিশনার ২০ মিনিট লাগিয়ে রেখে ভালো করে ধুয়ে ফেলুন। কুমড়াবীজের তেলে রয়েছে ফ্যাটি অ্যাসিড, যা চুলের জন্য খুব ভালো। এ ছাড়া এতে রয়েছে ভিটামিন, প্রোটিন, ডায়েটারি ফাইবার ও মিনারেল।

মিষ্টি কুমড়ার হেয়ার মাস্ক
৫০ গ্রাম মিষ্টি কুমড়ার পাল্প, এক চা চামচ ওটমিল পাউডার, নারকেল তেল, শিয়া বাটার ৫০ গ্রাম, অলিভ অয়েল। সবকটি উপাদান একসঙ্গে দিয়ে ভালো করে মাখিয়ে নিন। এরপর এ মাস্কটি ভালো করে চুলে লাগান। ৩০ মিনিট রেখে তারপর চুল ধুয়ে ফেলুন। এ পেস্টটি ফ্রিজে রেখে পাঁচ দিন পর্যন্ত ব্যবহার করতে পারেন।

মিষ্টি কুমড়া ও তেল
মিষ্টি কুমড়ার পাশাপাশি চুলের যত্নে নারকেল তেলও দরকার। এই হেয়ার মাস্ক তৈরি করতে নারকেল তেল ও কুমড়াবীজের তেল একসঙ্গে গরম করুন। একই পরিমাণ তেল নিন। অল্প আঁচে তেল গরম করুন। তারপর তা চুল ও মাথায় ভালোভাবে লাগান।

হেয়ার মাস্ক
একটি পাকা মিষ্টি কুমড়া কেটে সেদ্ধ করে চটকে নিয়ে তার মধ্যে এক টেবিল চামচ জোজোবা অয়েল দিন। এবার তাতে তিন টেবিল চামচ নারকেল তেল মেশান। তবে খেয়াল রাখবেন যাতে এই মাস্ক বেশি পাতলা না হয়ে যায়। শুকনো চুলে এটি লাগিয়ে হেয়ার ক্যাপ পরে নিন। এরপর ৩০ মিনিট রেখে চুল ধুয়ে ফেলুন।